করোনার দোহাইয়ে পোশাকের গলাকাটা দাম, পিছু হটছেন না ক্রেতারা!

করোনার দোহাইয়ে গলাকাটা দাম, পিছু হটছে না ক্রেতারা | ছবি- খান সোহেল

অভিজিৎ শান্ত : হাতেগোনা কয়েকটি দিন। তারপরই আসছে মুসল্লীদের ধর্মীয় উৎসব ঈদ-উল ফিতর। পুরো মাস সিয়াম সাধনার পর সকল দুঃশ্চিন্তা দূরে ঠেলে ধর্মীয় উৎসবে মেতে উঠতে চেষ্টার যেন ত্রুটি নেই কারো।

মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসের ভয়াল থাবায় বিবর্ণ হয়ে যাওয়া দিনগুলো উপেক্ষা করে সবাই চাচ্ছেন উল্লাসে মেতে উঠতে। ঈদ কেনাকাটায় শপিংমলগুলোতে চোখ রাখলে দেখা মিলবে এমন বক্তব্যের বাস্তব চিত্র।

ঈদকে সামনে রেখে সকল ধরণের স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে শপিংমলগুলোতে হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন ক্রেতারা। আর এদিকে করোনার দোহাইয়ে গলাকাটা দাম হাঁকাচ্ছেন বিক্রেতারা। তাতেও যেন কমছে না ভিড় আর পিছু হটছেন না কোনো ক্রেতা।

নেত্রকোনা শহরের বড়বাজারের পোশাকের বিভিন্ন দোকান ঘুরে ক্রেতাদের সাথে কথা বলে পাওয়া গেছে গলাকাটা দামে বিক্রির বিস্তর অভিযোগ। কিন্তু অভিযোগ করে পোশাক না কিনে ফিরে যাচ্ছেন তাও কিন্তু নয়। বরং পরক্ষণে ক্রেতারাই বলছেন, ঈদ বলে কথা। দাম তো একটুআধটু বেশি হবেই!

তবে ব্যবসায়ীদের মন্তব্যটা একটু ভিন্ন রকমই বটে। তারা বলছেন, চলমান লকডাউনের ফলে ঢাকা থেকে পোশাক আনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এছাড়াও রয়েছে কাপড়ের ব্যাপক ঘাটতি। গলাকাটা দাম রাখা হচ্ছে এমন অভিযোগ পুরোপুরি ঠিক না।

শপিং করতে আসা ফারিয়া ইউশা জানান, আমি সত্যিই অনেক হতাশ। ঈদ ছাড়াও মোটামুটি সব সময়ই কেনাকাটা করি। কিন্তু এভাবে মূল্য বৃদ্ধিতে বিপাকে পড়তে হচ্ছে। আশা করে ছিলাম এই লকডাউনের মধ্যে দাম স্বাভাবিক থাকবে।

সচেতন মহল বলছেন, করোনাকালীন ভয়াবহ এই সময়ে শপিংমলগুলো জনসমাগমের গিজগিজ পরিস্থিতি গা শিউরে উঠার মতো। কপালে কার কি অপেক্ষা করছে আল্লাহ্ ভালো জানেন।

পোশাকের গলাকাটা দামের অভিযোগ নিয়ে সচেতন মহলের মতে, মধ্যবিত্ত এবং দরিদ্র শ্রেণীর লোকেরা বেশি বিপাকে পড়েছে।সেক্ষেত্রে প্রশাসনের মনিটরিং জরুরি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *