আনন্দ-আতংকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা

নিউজ ডেস্ক
এনএনবি বাংলা.কম

ঢাকা : দীর্ঘদিন পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরতে পেরে শিক্ষার্থীদের আনন্দের যেন শেষ নেই আর। তবে আনন্দের সাথে রয়েছে আরো আতংক।

একদিকে তাদের মনে আছে যেমন করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি ঠিক তেমনই রয়েছে আরো ডেঙ্গু আতংক।

সবমিলিয়ে আনন্দ আতংকের মধ্য দিয়েই ঠিক একবছর ছয়মাস পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরলো তারা।

শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট প্রায় সবার জন্যই সবকিছুর পরও দেশজুড়ে আজ এক উৎসবমুখর দিন।

উৎসবের আমেজে শিক্ষক ও কর্মচারীরা শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিয়েছেন। যারা নতুন ভর্তি হয়েছে, তাদের জন্য আজই জীবনের প্রথম স্কুল। অনেক স্কুলে সাজসজ্জার পাশাপাশি ড্রাম বাজিয়ে, করতালি দিয়ে শিক্ষার্থীদের বরণ করা হয়।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে দেয়া ১৯ দফা নির্দেশনা মেনেই খোলা হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমনই দাবি করেছেন শিক্ষকরা।

এরআগে পরিস্থিতি মোকাবেলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে সরকার। পরে সংক্রমণ না কমার কারণে দফায় দফায় বাড়ানো হয় ছুটি। দফায় দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার প্রস্তুতি নেয়ার পরও পরিস্থিতির কারণে পরে তা আর সম্ভব হয়নি।

স্কুল-কলেজ খুললেও শিক্ষার্থীরা সকলে একসাথে যেতে পারবে না। ২০২১ ও ২০২২ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থী এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন (সপ্তাহে ছয় দিন) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাবে।

প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম ও নবম শ্রেণির মধ্যে যে কোনো একটি শ্রেণির শিক্ষার্থীরা পর্যায়ক্রমে এক দিন করে স্কুলে ফিরে করবে দুটি ক্লাস। তবে স্কুলে আপাতত হবে না কোনো অ্যাসেম্বলি।

খোলার প্রথম দুই মাসের মধ্যে কোনো ধরনের মূল্যায়ন ও আনুষ্ঠানিক পরীক্ষা না নেওয়ার ক্ষেত্রেও রয়েছে নির্দেশনা। মাস্ক পরে স্কুলে আসবে শিক্ষার্থীরা। মাস্ক পরার কারণে কোনো শিশু শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে কি না, সে বিষয়েও থাকবে সার্বক্ষণিক শিক্ষক দৃষ্টি।

স্কুল-কলেজ আপাতত খোলা হলেও মধ্য অক্টোবরে খোলা হবে বিশ্ববিদ্যালয়। তবে সংক্রমণ পরিস্থিতি যদি খারাপের দিকে যায় সেক্ষেত্রে ফের আসতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের মতো সিদ্ধান্ত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *